বাম হাতের খেল দেখিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ


শেষ ওয়ানডেতে হার। শুরুর দুই ওয়ানডে জিতে সিরিজ নিশ্চিতের আনন্দও যেন ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে গেলো তাতে। এরপরই টি-টোয়েন্টি, যেখানে আফগানিস্তান বরাবরই ভুগিয়েছে বাংলাদেশকে। প্রথম টি-টোয়েন্টির আগে এমন সব তথ্য নিয়ে আলাপ হয়েছে বিস্তর। তবে আজ প্রথম টি-টোয়েন্টিতে সেসব যেন রীতিমতো উড়িয়েই দিয়েছে বাংলাদেশ দল। তাও আক্ষরিক অর্থেই ‘বাম হাতের খেল’ দেখিয়ে, তাতে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল আজ গড়ে ফেলেছে এক বিশ্বরেকর্ডও।

আফগানদের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে আজ বাংলাদেশের সবকটি উইকেটই নিয়েছেন বাঁহাতি বোলাররা। তাতেই গড়া হয়ে গেছে বিশ্বরেকর্ডটা। ক্রিকইনফো জানাচ্ছে, টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো দল প্রতিপক্ষের দশ উইকেট শিকার করল দলের বাঁহাতি বোলাররা।

শুরুর ধাক্কাটা দিয়েছিলেন বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। শুরুর ওভারেই ফেরান রহমানউল্লাহ গুরবাজকে। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেও আক্রমণে আসেন তিনি, পান সফলতাও। এবার হজরতউল্লাহ জাজাই আর দারউইশ রাসুলিকে শিকার বানান তিনি। পঞ্চম ওভারে করিম জানাতকেও ফেরান তিনিই। তাতেই আফগানদের টপ অর্ডার ভেঙে হয় ছত্রখান, আর নাসুম তার পেয়ে যান ক্যারিয়ারসেরা বোলিং ফিগারটা।

নাসুমের পাট চুকতেই বাঁহাতি স্পিনার সাকিব আল হাসানের তোপের মুখে পড়ে আফগানরা। শুরুর ধাক্কা সামলে আফগানদের পথ দেখানো মোহাম্মদ নবী ও নাজিব উল্লাহ জাদরানকে ফেরান বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার। 

এতক্ষণ কেবল স্পিনাররাই বাম হাতের খেল দেখাচ্ছিলেন, এরপর পেসাররাও যোগ দেন এই মিছিলে। বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম তুলে আফগান শিবিরে টিমটিমে আশার আলো জ্বালিয়ে রাখা রশিদ খানকে। ১৭তম ওভারে আজমাতউল্লাহ ওমারজাইকে ফেরান মুস্তাফিজুর রহমান। 

তখনো জয় থেকে দুই উইকেটের দূরত্বে ছিল বাংলাদেশ। বাকি কাজটা সারেন শরীফুল। ১৮তম ওভারে আক্রমণে এসে কায়েস আহমেদ ও মুজিব উর রহমানকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে এনে দেন ৬১ রানের বিশাল এক জয়। আর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বাঁহাতিদের দাপটে বিশ্বরেকর্ডটা গড়ে ফেলে স্বাগতিকরা।
মেরাজুল কনক

আমি মেরাজুল ইসলাম, একজন বাংলাদেশী ব্লগার। ব্লগিং এর পাশাপাশি আমি ওয়েবসাইট ডিজাইন, কন্টেন্ট রাইটিং, কাস্টমাইজ সহ ওয়েব রিলেটেড অনেক কাজ করি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
নবীনতর পূর্বতন