আবশেষে ব্যাট হাসলো লিটন দাশের

বিশ্বকাপ মিশন টা ভালো কাটে নি টিম বাংলাদেশের। ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড সিরিজ জয় এর পর আর কোন জয় নেই বাংলাদেশের। বিশ্বকাপে টানা ৫ ম্যাচ এবং বিশ্বকাপ পরবর্তী পাকিস্তান সিরিজে টানা ৩ ম্যাচ হেরে হারের রেকোর্ড করে বাংলাদেশ দল। 

আবশেষে ব্যাট হাসলো লিটন দাশের

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ব্যর্থতার কারণ গুলোর মধ্যে অন্যতম  একটি কারণ ব্যাটিং বিপর্জয়। একবার নয় বার বার ব্যর্থ ছিলো বাংলাদেশের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান গুলো। বিশ্বকাপ মিশনের পর ঘরের মাটিতেও পাকিস্তান সিরিজে হারার এক মাত্র কারণ ছিলো ব্যাটিং বিপর্জয়। 

এদিকে টি-২০ সিরিজ শেষে চট্টগ্রাম এর মাটিতে অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ১ম টেস্ট সিরিজ। টসে জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ টেস্ট অধিনায়ক মমিনুল হক। টেস্ট ম্যাচেও টপ অর্ডার এর ব্যর্থতার অন্যথায় ঘটে নি। মাত্র ৪৯ রান করতেই টিম বাংলাদেশ হারিয়ে ফেলে তাদের ৪ ব্যাটসম্যানকে। ১ম ইনিংস এর ৪ ওভার ৩ বলে মাত্র ১৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন বাংলাদেশ ওপেনার সাইফ হাসান। দলীয় ৩৩ রানে, ১৪ রান করে আরও একজন ওপেনার সাদমান ফেরেন সাজঘরে। এরপর ৪৭ রানে মমিনুল এবং ১৫ ওভার ১ বলে নাজমুল শান্ত সাজঘরে ফিরলে বাংলাদেশ দলের সংগ্র এসে দাড়ায় ১৬ ওভার ২ বলে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ এসে দাড়ায় ৪৯ রান। 

ব্যাটিং বিপর্জয় এর এই ম্যাচে হাল ধরেন লিটন দাশ ও মুশফিকুর রহিম। তাদের পার্টনারশিপে আসে ৪১৩ বলে ২০৪ রান। টেস্ট ক্রিকেটের ৬ বছর ক্যারিয়ারে ১ম সেঞ্চুরির দেখা পান সমালোচনার শীর্ষে থাকা লিটন কুমার দাশ। টেস্ট ক্রিকেটের হাফ সেঞ্চুরির ছুলিতে আরও একটি সংখ্যা এড করলেন লিটল মাস্টার মুশফিকুর রহিম। লিটন দাশ ১১৩ রান এবং মুশফিকুর রহিম ৮২ রানে অপারাজিত থেকে ১ম দিনের খেলা শেষ করেন। ভালো শুরু করতে পারলে হয়তো নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারে আরও একটি সেঞ্চুরি পেতে পারেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল মুশফিকুর রহিম।

মুশফিক ও লিটন দাশের রানে ফেরায় সন্তুষ্ট ক্রিকেট বোর্ড ও হাজার হাজার বাংলাদেশী ক্রিক্রট প্রেমী। টেস্ট জয় দিয়েই হয়তো খুলতে পারে বাংলাদেশের জয়ের খেলা। 

ক্রিড়া প্রতিবেদক/১৪

মেরাজুল কনক

আমি মেরাজুল ইসলাম, একজন বাংলাদেশী ব্লগার। ব্লগিং এর পাশাপাশি আমি ওয়েবসাইট ডিজাইন, কন্টেন্ট রাইটিং, কাস্টমাইজ সহ ওয়েব রিলেটেড অনেক কাজ করি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
নবীনতর পূর্বতন